আমরা অনেকেই কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে শতকরা 80% লোকেই কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য গুরুত্বর্পূ কি বোর্ড এর কমান্ট জানা নেই, তাই নিম্নে কি বোর্ড এর F1 থেকে F12 পযন্ত বাটন গুলোর কাজ সমুহ দেয়া হলো। কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই বাটন গুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এবং গুরুত্তপূর্ণ ব্যবহার। বিশেষ করে মাউস এর বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায়। চলুন দেখে নিই কি গুলোর প্রয়োগঃ F1 : সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহিত হয়। যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজ চলে আসে। F2 : ধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ডকুমেন্ট খোলা যায় । Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা হয়। F3 : কি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়।Shift+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়। F4 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়। F5 : চেপে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়।পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়। এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়। F6 : চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়। F7 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়। F8 : কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালু করার জন্য এই কি টি চাপতে হয়। F9 : কি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়। F10 :কি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়। F11 : চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়। F12 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রি --------- সৌজন্যে------- মেসার্স এম.এম. ট্রেডার্স স্বত্ত্বাধিকারী- মোঃ মামুন হোসেন পুরাতন কোর্ট, কে. এস টাওয়ার, নারায়ণগঞ্জ।
সেন্ড করা মেইল ফেরত অানা যাবে জি-মেইলে টেক ডেস্ক॥ অফিসে বসের উপর বিরক্ত হয়ে হঠাৎ করেই মেইলে লিখলেন, চাকরিটা আর করবেন না। চিন্তা করছেন সেন্ড করবেন কি না। হঠাৎ করেই সেন্ড বাটনে ক্লিক করে ফেললেন। মেইল সেন্ড করেই ভাবলেন, কাজটি করা ঠিক হয়নি। এ ধরনের সমস্যা থেকে এখন আপনাকে পরিত্রাণ দেবে গুগল মেইলের (জি-মেইল) আনডু অপশন। সাম্প্রতি গুগল মেইলে যুক্ত হয়েছে আনডু অপশন। এখন থেকে সেন্ড করা মেইল আপনি ফেরত আনতে পারবেন। খবর এনডিটিভির। যেভাবে অপশনটি চালু করবেন: প্রথমে আপনার জি-মেইলে সাইন ইন করুন। মেইল বক্সের ডান দিকের উপরে সেটিং বক্সে ক্লিক করে সেটিং অপশনে ক্লিক করুন। লম্বা একটি তালিকা দেখতে পাবেন। উপরের দিকে থাকা অপশনগুলোতে জেনারেল সিলেক্ট করা না থাকলে করে নিন। একটু নিচের দিকে নামতে থাকলে দেখতে পাবেন 'আনডু সেন্ড'। এটি সক্রিয় করলেই ১০, ২০ ও ৩০ সেকেন্ডের তিনটি অপশন আসবে। আর্থাৎ কত সেকেন্ডের মধ্যে আনডু করতে পারবেন। এখন থেকে আপনার পাঠনো মেইল পাঠানোর পরেই একটি নোটিফিকেশন দেখাবে। সেখান থেকেই পাঠনো মেইল আনডু করা যাবে। আপনার কোনও মেইল আনডু করলে তা ড্রাফট বক্সে ফেরত আসবে। প্রসঙ্গত, গত ৬ বছর এই অপশনটি জি-মেইলের ল্যাবে ছিল। ২০০৯ সালে এটি সম্পর্কে জি-মেইল প্রথম জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশ করে।
নিউজবিডি৭১ডটকম ঢাকা: রাজধানীতে ভাড়ায় মিলছে স্বামী! এ বাণিজ্যে তিন ধরনের কাজের জন্য স্বামী পরিচয়ে পুরুষ ভাড়া করা হয় বলে জানা গেছে। স্বামী হিসেবে ভাড়ায় খেটে নিজের সংসার চালাচ্ছেন এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যও পাওয়া গেছে। দিনে ১০০ টাকা থেকে মাসে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায় ভাড়ায় স্বামী পাওয়া যায়। আবার একই পুরুষ ভাড়ায় খাটেন একাধিক নারীর স্বামী পরিচয়ে এমন তথ্যও পাওয়া গেছে। রাজধানীর জুরাইনএলাকার ফুটপাতের খুদে দোকানি আলো বেগমের স্বামী নেই। আরেক বিয়ে করে স্বামী চলে গেছে। কোথায় গেছে সেটাও তার জানা নেই। তিনটি সন্তান নিয়ে ফুটপাতে কখনও পিঠা, কখনও মৌসুমি ফল, সঙ্গে চা-পান বিক্রি করে জীবন চালান তিনি। ছেলেকে চা-পানের দোকান আলাদা করে দিতে পাঁচ হাজার টাকার ঋণ দরকার তার। একটি এনজিও থেকে ঋণ পেতে স্বামী দরকার। এনজিওর লোকজন বলছে ঋণ পেতে হলে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ছবি লাগবে। মাস কয়েক আগে এনজিওর ঋণ পেতে একজন স্বামী ভাড়া করেছিলেন তিনি। ঋণের টাকা থেকে ৫০০ টাকা দিয়েছেন তাকে। মাত্র ৫০০ টাকাতেই আলো বেগমের সঙ্গে স্বামী পরিচয়ে এনজিও অফিসে গিয়ে ছবি তুলে ঋণ পেতে সহায়তা করেছেন বিশু নামের এক লোক।
ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে যৌনকর্মীদের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ওইসব যৌনকর্মী এখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফ্ল্যাট বাড়ি ভাড়া নিয়ে দেহ ব্যবসা শুরু করেছে। বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বামী ছাড়া বাড়ির মালিক বাসা ভাড়া দিতে চান না। বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ওই প্রতিবন্ধকতার কথা চিন্তা করে যৌনকর্মীরা তাদের পূর্বপরিচিত কোনো পুরুষকে স্বামী হিসেবে ভাড়া করেন। বাড়ি ভাড়া করার সময় সঙ্গে থাকেন ভাড়াটে স্বামী। দেখা গেছে, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় বাড়ির মালিককে বলা হয় স্বামী নিয়মিত ঢাকায় থাকে না, বাইরের কোনো জেলায় চাকরি বা ব্যবসা করে। একই সঙ্গে বলা হয়, বাসায় নিয়মিত থাকবে তার স্ত্রী ও দুই বা তিন বোন। ওই বোনদের থাকার কথা বলে জায়েজ করে নেওয়া হয় আরো দুই-তিনজন যৌনকর্মীকে। এভাবেই রাজধানীজুড়ে ফ্ল্যাট বাড়িগুলোতে চলছে যৌনবাণিজ্য।
শনির আখড়ার সোহান (ছদ্মনাম) বরিশাল থেকে অভাবের তাড়নায় ঢাকায় আসেন। এসএসসিও পাস নয়, তাই কোনো চাকরি দিতে চাচ্ছেন না কেউ। এরই মধ্যে দেখা মিলে ছিনতাইকারী কাজলের সঙ্গে। নিরূপায় হয়ে তার সঙ্গে যোগ দেয় সংসদ ভবন এলাকায় ছিনতাইয়ের কাজে। পরিবর্তন করে ফেলে নিজের বংশ-পরিচয়ও। এরই মধ্যে পরিচয় হয় স্বামী পরিত্যক্তা রুপার (ছদ্মনাম) সঙ্গে। তখন তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি যৌন ব্যবসায় লিপ্ত ছিলেন। সিদ্ধান্ত হয় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দুজন রাজধানীর শনির আখড়ায় বসবাস করবেন। এরপরই বিউটি পার্লার ব্যবসার আড়ালে রুপা শুরু করে জোরালো যৌনব্যবসা। বিধিবাম, এলাকার দুষ্ট বেরসিক ছেলেরা জেনে যায় সোহান-রুপা আসলে স্বামী-স্ত্রী নন। দুজনের এ অবাধ বসবাসে বাধ সাদে তারা। দুজনকেই বাধ্য করে সত্যিকারের বিয়েতে। এছাড়াও সোহান রাজধানীর শান্তিনগর, বাড্ডা, ফার্মগেট এলাকাসহ ৮-৯টি স্থানে যৌনকর্মীদের স্বামী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে নিজে কামাচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা। আর মাঝে মধ্যে খদ্দের জোগাড় করে দিলে তার কমিশনতো আছেই।
শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : সারা দেশের ১৪৮টি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে।
এই কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবু বক্কর ছিদ্দিক বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়ে বলেন, কলেজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ২৯ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে, চলবে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত। গত ১ জুলাই একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হয়েছে।
আটটি সাধারণ বোর্ডের সঙ্গে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট আট হাজার ৯৩৩টি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন রয়েছে।
এবার ঢাকা বোর্ডের ১৪টি কলেজ এবং কুমিল্লা বোর্ডের ছয়টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি বলে বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এছাড়া রাজশাহী বোর্ডের ১৫টি, যশোর বোর্ডের ১০টি, চট্টগ্রামে একটি, বরিশালে একটি, সিলেটে পাঁচটি এবং দিনাজপুর বোর্ডের ১৬টি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি।
কারিগরি বোর্ডের অধীন ৭২টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাসাদ্রা বোর্ডের অধীনে আটটি মাদ্রাসায়ও কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবু বক্কর মনে করেন, কলেজগুলোর মান ভাল না হওয়ায় সেখানে একজন শিক্ষার্থীও ভর্তি হয়নি।
“তবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চেয়ে কলেজগুলোতে আসন বেশি থাকায় শিক্ষার্থীরা পছন্দের কলেজেই ভর্তি হয়েছে, এক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ প্রাধান্য পেয়েছে,” বলেন তিনি।
তবে যেসব কলেজে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান আবু বক্কর।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন, এবার একাদশ শ্রেণিতে দুই লাখের বেশি আসন ফাঁকা থাকবে। এবছর মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ১২ লাখ ৮২ হাজার ৬১৮ জন পাস করেছে।
আবু বক্কর বলেন, এবার অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম হাতে নেওয়ায় কোনো কলেজেই ভুয়া শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারেনি। এছাড়া অন্য বছরগুলোতে ওইসব কলেজ কিছু শিক্ষার্থীর নামে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নিবন্ধন করিয়ে পাঠদানের অনুমতি ঠিক রাখত বলে মনে করেন তিনি।
তবে কারিগরি জটিলতা দেখা দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের তিন দিন পর গত ২৮ জুন মধ্যরাতে ভর্তির জন্য প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় হাজারো ভুলের কারণে কলেজে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন শিক্ষার্থীরা। অনেক কলেজ কর্তৃপক্ষও সময়মতো তালিকা না পেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে ভোগান্তিতে পড়ে। বিলম্ব ফি ছাড়াই শিক্ষার্থীরা আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত কলেজে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন।
গত কয়েক বছর ধরে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এ
কাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/23/89621#sthash.1RAKSLMW.dpuf
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : সুপারকম্পিউটার প্রতি সেকেন্ড শত হাজার ট্রিলিয়নের বেশি হিসাব করতে সক্ষম এমন নতুন প্রজন্মের সুপারকম্পিউটার তৈরি করছে চীন। এই সুপারকম্পিউটারের নাম ‘ডাউনিং ৭০০০’।
চীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাউনিং ইনফরমেশন ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট লি জুন বলেন, ডাউনিং ৭০০০ তৈরি করা হচ্ছে মূলত বাজারের চাহিদার কথা মাথায় রেখে। দ্রুতগতির যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, বড় আকারে তথ্য সংরক্ষণ ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের জন্য এটি তৈরি করা হচ্ছে। চীনের বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি এতে সহযোগিতা করছে। ডাউনিং এর আগে নেবুলা বা ডাউনিং ৬০০০ নামে সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছিল। ২০১০ সালে করা বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ টি সুপারকম্পিউটারের তালিকায় নেবুলা দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। এটি সেকেন্ডে এক দশমিক ২৭১ পেটাফ্লপ গতিতে হিসাব করতে সক্ষম।
কম্পিউটারের গতি নির্ধারক লিনপ্যাক বেঞ্চমার্কের সাহায্যে প্রতিবছর দুবার বিশ্বের সেরা ৫০০টি সুপার কম্পিউটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেকেন্ডে এক হাজার ট্রিলিয়ন গাণিতিক হিসাব করার ক্ষমতাসম্পন্ন পেটাফ্লপ গতির সুপার কম্পিউটারগুলোর একটি তালিকা করেন টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জ্যাক ডংগারা। মেট্রিক পদ্ধতিতে শত কোটিকে বলা হয় এক বিলিয়ন। এক হাজার বিলিয়নকে বলা হয় এক ট্রিলিয়ন এবং এক হাজার ট্রিলিয়নকে বলা হয় এক পেটা।
লি জুন বলেন, ডাউনিংয়ের নতুন সুপারকম্পিউটার হবে সব ধরনের কাজের উপযোগী যন্ত্র। এটি নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটার হবে। তাই এর নির্মাণচক্র দীর্ঘায়িত হতে পারে।
বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলক ও অ্যাসেম্বল দশায় পৌঁছেছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এর দেখা মিলতে পারে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/15/88780#sthash.AuRKyr51.dpuf
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : এই সময়ের কোনও কিশোর-কিশোরীর কাছে যদি জানতে চাওয়া হয়, যে সময়ে মোবাইল ফোন ছিল না সে সময়টি সম্পর্কে তাদের ধারণা কি? নিশ্চিতভাবেই তারা অবাক হবেন।
আর যদি কোনও যুবক-যুবতীর কাছে জিজ্ঞাসা করা হয়, মোবাইল ফোন ছাড়া তাদের পক্ষে থাকা সম্ভব কি না? এক কথায় জবাব আসবে, 'না'।
অথচ দুই দশক আগেও এখনকার মতো বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হাতে ছিল না কোনও মোবাইল ফোন।
রুকন ভূঁইয়া একজন তরুণ স্থপতি। বাংলাদেশের এখনকার আরও অনেক তরুণের মতোই একটি স্মার্টফোন রয়েছে তার।
আর কে না জানে এখনকার সময়ের স্মার্ট মোবাইল ফোন শুধু কথা বলা আর বার্তা পাঠানোর যন্ত্র নয়, এর রয়েছে হরেক ব্যবহার এবং এটিকে টেলিফোন না বলে কম্পিউটার বলাই ভাল।
ভূঁইয়া বলছেন, তিনি তার মোবাইল ফোনটি দিয়ে আর দশটা সাধারণ কাজের পাশাপাশি ভবনের নকশা প্রণয়নের কাজও করেন।
তার শৈশব ও কৈশোর অবশ্য কেটেছে তারহীন এই যোগাযোগের মাধ্যমটি ছাড়া।
তিনি দুটো সময়েরই প্রতিনিধি।
'ওই সময়ে বন্ধুকে একটু ডাক দেয়া, জানালা খুলে কাউকে একটু নক করার মতো বিষয়গুলো এখন বদলে গেছে। এখন মোবাইল ফোনের মেসেঞ্জার খুলে আমরা বন্ধুকে নক করি'। বলছিলেন ভূঁইয়া।
সবার হাতেই মোবাইল ফোন:
বাংলাদেশে এখন জনসংখ্যার অনুপাতে মোবাইল ফোনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা শতকরা ৭৮ ভাগেরও বেশি।
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যমতে গত মে মাসে দেশটিতে সক্রিয় মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে বারো কোটি।
দেশটিতে এখন জনসংখ্যার অনুপাতে মোবাইল ফোনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা শতকরা ৭৮ ভাগেরও বেশী।
ঢাকার বসুন্ধরা শপিং মলের রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছিলেন দুজন তরুণ-তরুণী।
এদের একজন বলছিলেন, 'এখন দূরত্বটা আমরা কম অনুভব করি। মোবাইলে ইন্টারনেট সংযুক্ত থাকলে আমি সবসময়েই সবার সাথে যুক্ত থাকছি। ফোন ছাড়া এখন একটি দিনও ভাবতে পারিনা'।
আরেক কিশোর বলছিলেন, 'বাবা-কাকাদের মুখে শুনি তাদের সময় মোবাইল ছিল না। তারা কিভাবে টিকে থাকতেন ভাবতেই পারি না'।
১৯৯৩ সালে যা ছিল প্রচ- ব্যয়বহুল সীমিত সংখ্যক উচ্চবিত্তদের হাতে, আজ তা ছড়িয়ে গেছে বিত্তের সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত।
এমনকি গৃহকর্মী কিংবা রিকশাচালকদের মতো সমাজের সবচাইতে নিচের শ্রেণির মানুষদেরকেও আজকাল হামেশাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়।
গত দশ বছর ধরে ঢাকায় রিকশা চালান মোহাম্মদ তাওহীদ হোসেন। তিনি গত ছয় বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যাবহার করেন।
'বগুড়ায় থাকা পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা, টাকা পাঠানো সব কিছুই মোবাইল ফোনে করি আমি'। বলছিলেন তিনি।
কেউ কি আছেন মোবাইল ছাড়া?
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির অনুষ্ঠান-প্রধান মোস্তফা কামাল সৈয়দ অবশ্য কোনদিন মোবাইল-টেলিফোন ব্যবহার করেননি।
গত দশ বছর ধরে ঢাকায় রিকশা চালান মোহাম্মদ তাওহীদ হোসেন। তিনি গত ছয় বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যাবহার করেন।
'৯০এর দশকে আমি তখন রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান প্রধান। তখন সরকারের তরফ থেকে আমাকে একটি মোবাইল ফোন দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু এক পর্যায়ে অতিরিক্ত ব্যয়বহুল হবার কারণে মন্ত্রণালয় সেই প্রক্রিয়া বাতিল করে দেয়। এরপর থেকে আমার আর মোবাইল ফোন নেয়া হয়নি কোনদিন'। অবশ্য সৈয়দের মতো মানুষ এখন খুব কমই মিলবে।
অবশ্য গ্রামে গঞ্জে অনেকেই হয়তো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। কিন্তু শহরাঞ্চলে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. গীতি আরা নাসরীন বলছেন, 'সবার হাতে মোবাইল ফোন ছড়িয়ে পড়ায় এখন কেউই কোথাও পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে না। নতুন ধরণের অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে মানুষের মধ্যে'।
'ফোন আছে বলে আমরা সারাক্ষণ ফোন করছি। কিন্তু যখনই কাউকে ফোনে পাচ্ছি না তখন নতুন করে দু:শ্চিন্তা শুরু হচ্ছে'।
অবশ্য এককালে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কঠিন কাজটি যে আজ যে জলের মতো সহজ হয়ে গেছে তার কৃতিত্ব নিশ্চিতভাবেই মোবাইল ফোনেরই প্রাপ্য। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/23/89542#sthash.sFQeboX3.dpuf
বিটিআরসি জানিয়েছে, শর্তানুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগেই লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করার বিধান রয়েছে। কিন্তু আইএসপি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নবায়নের জন্য আবেদন করেনি, তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর আইএসপি লাইসেন্সের কোনো বৈধতা নেই।
এসব লাইসেন্স এর অধীনে কার্যক্রম চালানো অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।
কমিশনের সব পাওনা বকেয়া আগামী ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করা না হলে আইনুনাগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিটিআরসি জানিয়েছে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/12/88461#sthash.E9ArJbtS.dpuf
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : সম্প্রতি ফেসবুকের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বহু ব্যবহারকারী। এবার তাদের এ উদ্বেগ দূর করতে নিরাপদ প্রিটি গুড প্রাইভেসি (পিজিপি) এনক্রিপশন ব্যবস্থা চালু করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।
এক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে, ইনডিপেনডেন্ট।
পিজিপি মূলত একটি প্রোগ্রাম-যা ব্যবহার করে সাংবাদিক, অ্যাক্টিভিস্ট এবং গোপনে মেসেজ আদানপ্রদানে আগ্রহীরা। এটি মূলত দুটি 'কি' ব্যবহার করে। এর একটি পাবলিক, যা ঠিকানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যটি প্রাইভেট, যা পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
নতুন পিজিপি এনক্রিপশনের আওতায় থাকলে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য জানতে পারবে না, এমনটাই জানিয়েছে ফেসবুক।
পিজিপি কি-এর আওতায় ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেইল পাঠাবে ফেসবুক। এ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে মেসেজ এমনভাবে এনক্রিপ্ট করা হবে যে, শুধু মেসেজটির প্রাপকই মেইল পড়তে পারবে। এর ব্যবহারকারীরা সহজেই এ এনক্রিপশনের নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় থাকবে।
ফেসবুকের প্রোফাইলে এ এনক্রিপশন ব্যবহার করা হলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত হবে।
কিন্তু প্রাথমিকভাবে ফেসবুক এ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আগে পরীক্ষা করে দেখার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবহারকারীদের। এতে প্রাথমিকভাবে মেসেজ এনক্রিপ্ট করা হবে এবং পরে ডিক্রিপ্ট করা হবে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/06/09/83805#sthash.vQ6MqWC3.dpuf
কৃত্রিম মস্তিষ্ক সৃষ্টিতে আরেক ধাপ অগ্রগতি প্রযুক্তিবিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় আরএমআইটির গবেষকরা মানব মস্তিষ্কের মতোই দীর্ঘমেয়াদে স্মৃতি ধরে রাখতে পারবে এমন একটি ইলেকট্রনিক মেমোরি সেল উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মানব মস্তিষ্ক যেভাবে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে কৃত্রিম ন্যানো মেমোরি সেল ব্যবহার করে প্রায় সেভাবেই তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের পদ্ধতি উদ্ভাবন করলেন ওই বিজ্ঞানীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়টির মাইক্রো ন্যানো রিসার্চ ফ্যাসিলিটি (এমএনআরএফ) বিশ্বের প্রথম এই মাল্টি-স্টেট মেমোরি সেলটি তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। এটি মানব মস্তিষ্কের মতো একই সঙ্গে তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বহুমুখী সূত্রের তথ্য সংরক্ষণে সক্ষম।
এই আবিষ্কারের ফলে যান্ত্রিক মস্তিষ্ক তৈরির পথে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ধাপ অতিক্রম করল বিজ্ঞানীরা। এর ফলে আলঝেইমার ও পারকিনসন্স এর মতো স্নায়বিক রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সাফল্যের নতুন দরজা উম্মুক্ত হবে।
সম্প্রতি ম্যাটেরিয়েল সায়েন্স জার্নাল- ‘এডভান্সড ফাংশনাল ম্যাটেরিয়ালস’ এ বিষয়ক গবেষণা পত্রটি প্রকাশ করে।
আরএমআইটির ফাংশনাল ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মাইক্রোসিস্টেম রিসার্চ গ্রুপের সহ-নেতা ড. শরৎ শ্রীরাম ওই গবেষণা প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘এই আবিষ্কারের ফলে মানব মস্তিষ্ক যেমন করে তথ্য আত্মস্থ করে ও সংরক্ষণ এবং পরে যেমনভাবে দ্রুততার সঙ্গে তা বিতরণ করে তেমন ক্ষমতা সম্পন্ন কৃত্রিম মস্তিষ্ক তৈরির পথে আমরা আরেকধাপ এগিয়ে গেলাম।’
মানব মস্তিষ্ক মূলত তার পূর্ব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে বিবর্তিত হয়। ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আজ পর্যন্ত এর কোনো বিকল্প তৈরি সম্ভব হয়নি। এর আগে আরএমআইটির গবেষকরা খুবই দ্রুতগতি সম্পন্ন ন্যানো স্কেল মেমোরি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছিলেন। কার্যকরী অক্সাইড উপাদান ব্যবহার করে খুবই পাতলা ফিল্ম এর আদলে (মানুষের চুলের চেয়েও ১০ হাজার গুন পাতলা) ওই মেমোরি উদ্ভাবন করেন বিজ্ঞানীরা।
এই গবেষণা প্রকল্পগুলোতে আরএমআইটিকে সহযোগিতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া সান্তা বারবারা। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/05/22/81560#sthash.yMX7n16l.dpuf
সোয়ান শ্রমিকদের আন্দোলন চলছে, শ্রম ভবন ঘেরাও সোয়ান শ্রমিকদের আন্দোলন চলছে, শ্রম ভবন ঘেরাও শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : তিন মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা ও কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে আজ মঙ্গলবার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ঘেরাও করেছে সোয়ান গার্মেন্টস ও সোয়ান জিনসের শ্রমিকেরা।
একই দাবিতে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনেও দশম দিনের মতো অব্যাহত ছিল তাঁদের অবস্থান কর্মসূচি।
জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যেই শ্রমিকেরা রাজউক অ্যাভিনিউর শ্রম ভবন ঘেরাও করেন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এই ভবনেই। কর্মসূচির একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাক্কা-ধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে সেখানেই অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন তাঁরা।
গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি মন্টু ঘোষের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি সাদেকুর রহমান, সহসভাপতি ইদ্রিস আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজী রুহুল আমিন, সহসাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ। এ সময় শ্রমিক নেতারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
শ্রম মন্ত্রণালয় সোয়ানের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে ৮ জুলাই কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করে। এর সদস্যরা এখন পর্যন্ত কোনো বৈঠক না করায় শ্রমিকেরা এ ঘেরাও কর্মসূচি দেন। আগামী ২৭ জুলাই বৈঠক হওয়ার কথা।
সাদেকুর রহমান জানান, ঘেরাও কর্মসূচির একপর্যায়ে অধিদপ্তরের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ২৭ জুলাইয়ের পরিবর্তে ২৩ জুলাই কমিটির বৈঠক হবে বলে আশ্বাস দেন। তারপর শ্রমিকেরা আজকের ঘেরাও কর্মসূচি শেষ করেন।
তিনি আরও জানান, আজ দশম দিনেও সোয়ানের শ্রমিকেরা সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এদিকে টানা অনশনে থাকা ২০ জন শ্রমিক জ্বর, ঠান্ডা ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান এই শ্রমিক নেতা।
কমিটির সদস্য বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ-উল ইসলাম খান বলেন, ‘যত দূর আমরা শুনেছি, সোয়ানের বিষয়টি খুবই জটিল। তবে বিজিএমইএ নেতারা কিছুটা তৎপর হয়ে যদি সোয়ান গ্রুপের মালিকানা দাবিদারদের কাছ থেকে বন্ড নিয়ে টাকা জোগাড় করে শ্রমিকদের পাওনা দিয়ে দিতেন, তাহলে তাদের রাস্তায় ঈদ করতে হতো না। পরে বিজিএমইএ সেই টাকা সোয়ানের বৈধ মালিকদের কাছ থেকে আদায় করতে পারত।’
সোয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিং ইউন হন গত এপ্রিলে আত্মহত্যা করেন। চীনা এই নাগরিকের দুই স্ত্রী ও তিন কন্যা আছে। মিং ইউন মারা যাওয়ার পর সম্পত্তির মালিকানা বুঝে পেতে তাঁর দুই স্ত্রী-ই আদালতে মামলা করেন। বিজিএমইএ ১৬ জুলাই বলেছে, আদালত মালিকের উত্তরাধিকার চূড়ান্ত করে সম্পত্তি বিক্রির অনুমতি দেবেন। তারপরই সোয়ানের অবন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব হবে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/21/89386#sthash.EGSczOcO.dpuf
ইইউ করেন মানবাধিকার কমিটির সদস্য 'ভুল পথে হাঁটছে বাংলাদেশ' 'ভুল পথে হাঁটছে বাংলাদেশ' শীর্ষ নিউজ, লন্ডন : বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতিকে নাজুক উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছেন সুইডিশ ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটস, ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের ফরেন এফেয়ার্স এবং হিউম্যান রাইটস কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ল্যার অ্যাডাকটুসন। বৃহস্পতিবার দেয়া ওই বিবৃতিতে তিনি মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ এখন ভুল পথে হাঁটছে। অ্যাডাকটুসন এখানেই থেমে থাকেননি। তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় বিগত নির্বাচনের সময়ে সহিংসতা, রাজনৈতিক হত্যা, কিডন্যাপ, গুম, খুনের অবস্থার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, সেই নির্বাচনে ১৫০ জনের মতো মানুষ নিহত হয়েছিলো। বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে শিশু সামিউল রাজন হত্যার বীভৎস দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে প্রমাণ করে দেশটি কতো ভয়াবহ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যদিও দেশটির নিয়ন্ত্রণ করছে, তথাপি সিভিল সোসাইটি, ব্লগার, সাংবাদিক হত্যা একের পর এক বেড়েই চলছে এবং আইনের শাসন ক্ষয়িষ্ণু এবং গণতন্ত্র ধীরে ধীরে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে দেশটি পুলিশী রাষ্ট্র অথবা গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবেনা। দেশটির সরকারকে সহিংসতা বন্ধ এবং বিরোধীদের দমনের পন্থা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে। গণতান্ত্রিক নির্বাচিত ব্যবস্থাকে সমুন্নত রাখতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে দেশটির নেতৃত্বের সাথে সকল ধরনের সহযোগীতা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নকে উইথড্র করার কথা ভাবতে হবে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/17/88963#sthash.BbYN5Asl.dpuf
নারী শিক্ষার সাহসী কন্যা, বাংলার নারীদের শিক্ষার মুক্তি পথ দেখালেন বেগম সুফিয়া কামাল। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন চির জীবন। তার সাহসী পথ দেখে এ দেশের নারীরা এগিয়ে যাবে বহুদুর। এ সমাজে দেখা যায় নারীরা প্রতিবাদ করতে শিখেছে। এখন নারীরা প্রতিবাদ করতে ভয় পায় না। এই শিক্ষা অন্য কেউ নয়। আমাদেরই দেশের গর্বিতজন বেগম সুফিয়া কামাল।
‘বিল কসবির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করা যাবে’ ‘বিল কসবির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করা যাবে’ শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : জনপ্রিয় মার্কিন কমেডি অভিনেতা বিল কসবির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করা যাবে বলে রায় দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সুপ্রিম কোর্ট।
দ্যা কসবি শো খ্যাত মি কসবির বিরুদ্ধে সম্প্রতি যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন এক নারী।
তার ভাষ্যমতে ৭০ এর দশকে তার বয়স যখন ১৫ তখন মি কসবি তাকে যৌন হয়রানি করেছেন।
ঐ নারী সিভিল কোর্টে একটি মামলার উদ্যোগ নিলে বিল কসবি তা রুখতে সুপ্রিম কোর্টে যান।
আদালত আবেদন খারিজ করায় এখন বিল কসবির বিরুদ্ধে মামলার পথ উন্মুক্ত করে হলো।
অভিযোগকারীর আইনজীবী বিষয়টিকে একটি বড় জয় বলে উল্লেখ করেছেন।
আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিল কসবিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
৭৮ বছর বয়সী বিল কসবির বিরুদ্ধে আরো ২৫ জনের মতো নারী যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন।
'বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি' 'বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি' শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি এমন মন্তব্য করেছেন ভারতীয় জনপ্রিয় নায়িকা কারিনা কাপুর।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শহিদকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, ৩৪ বছর বয়সী এই অভিনেতা ঠিক সময়ে বিয়ে করেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন বেবোর (কারিনার ডাকনাম)। তার কথায়, ‘‘বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি লক্ষ্য করেছি। ক্যারিয়ারের দিক দিয়ে এখন খুবই ভালো জায়গায় আছে ও। তবে বিয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত না হলে শহিদ কখনো তা করতো না। সন্দেহ নেই, শহিদ স্বামী হিসেবেও দারুণ হবে।
উল্লেখ্য, শহিদ তার বিয়েতে নতুন দম্পতিকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন। কারিনা না যেতে পারলেও তার ও মিরা রাজপুতের জন্য পাঠিয়েছেন বিশেষ উপহার।
এই জুটি একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। এগুলো হলো ‘ফিদা’ (২০০৪), ‘থার্টি সিক্স চায়না টাউন’ (২০০৬), ‘চুপ চুপ কে’ (২০০৬), ‘জাব উই মিট’ (২০০৭) এবং ‘মিলেঙ্গে মিলেঙ্গে’ (২০১০)। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/20/89279#sthash.jwdwYLst.dpuf
রাজউক ভবনে ৬ সন্ত্রাসী আটক রাজউক ভবনে ৬ সন্ত্রাসী আটক শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রকল্পে টেন্ডার জমা দিতে বাধা দেওয়ায় ছয় সন্ত্রাসীকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটেলিয়ান র্যাব-৩।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজউক ভবন থেকে তাদের আটক করা হয়।
র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মাকসুদুল আলম শীর্ষ নিউজকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পূর্বাচল সিটি প্রকল্পের ‘ইন্টার্নাল রোড অ্যান্ড সারফেস ড্রেন’ এর নির্মাণ কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়। সাধারণ ঠিকাদাররা টেন্ডার জমা দিতে এলে আটক ছয় সন্ত্রাসী তাদের নানা ধরনের ভয় দেখায় এবং টেন্ডার জমা দিতে বাধা দেয়। এসব ঠিকাদারদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে রাজউক ভবন থেকে ছয় সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনে তাদের পরিচয় এবং এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলেন তিনি জানান।
লেখাপড়ার জন্যে ক্ষতিকর মোবাইল ফোন লেখাপড়ার জন্যে ক্ষতিকর মোবাইল ফোনশীর্ষ নিউজ ডেস্ক : স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার পর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল ভালো হয়েছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
গবেষকরা বলছেন, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার জন্যে বাড়তি সময় পেয়েছেন।
ইংল্যান্ডের চারটি শহরের স্কুলে জরিপ চালিয়ে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক এই সমীক্ষাটি প্রকাশ করেছে।
ফোন নিষিদ্ধ করার আগে ও পরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই মন্তব্য করা হয়েছে।
এছাড়াও দেখা গেছে, যেসব স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেসব স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল অন্যান্য স্কুলের তুলনায় ৬% ভালো।
গবেষকরা বলছেন, স্বল্প আয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েদের উন্নতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
ব্রিটেনে ৯০ শতাংশেরও বেশি কিশোর কিশোরী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে।
গবেষকরা বলছেন, নতুন নতুন স্মার্ট ফোনের অনেক সুবিধা থাকলেও এসব ফোন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট করে। এতে পড়ালেখারও ক্ষতি হয়।
২০০৭ সালের এপ্রিল মাস থেকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের বৈধ অধিকার ছিলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জিনিসপত্র জব্দ করা। তবে মোবাইল ফোনের ব্যাপারে সরকারি নীতিতে কিছু বলা ছিলো না।
একেকটি স্কুল এ বিষয়ে একেক ধরনের নীতি গ্রহণ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মেয়র সম্প্রতি স্কুল প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর থেকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে অসাম্য কমে আসবে বলে তারা মনে করেন।
কিন্তু গবেষকরা এর সাথে একমত নন।
তারা বলছেন, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াতে পারে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/05/18/80972#sthash.5SGDYkmI.dpuf
নারী শিক্ষার সাহসী কন্যা, বাংলার নারীদের শিক্ষার মুক্তি পথ দেখালেন বেগম সুফিয়া কামাল। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন চির জীবন। তার সাহসী পথ দেখে এ দেশের নারীরা এগিয়ে যাবে বহুদুর। এ সমাজে দেখা যায় নারীরা প্রতিবাদ করতে শিখেছে। এখন নারীরা প্রতিবাদ করতে ভয় পায় না। এই শিক্ষা অন্য কেউ নয়। আমাদেরই দেশের গর্বিতজন বেগম সুফিয়া কামাল।
নারী শিক্ষার জন্য বেগম রোকেয়া সাহসী পদক্ষেপের জন্য আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন পৃথিবী যতদিন থাকবে। তার শিক্ষায় আলোকিত বাংলাদেশের পাড়া গায় থেকে শুরু করে শহরের সর্বস্তর নারী আজ থেকে বহুদিন পূর্বে শিক্ষার আলোর মুখ দেখেছে। তিনি সাধারণ নারী নয়। এক কথায় বলতে গেলে বেগম রোকেয়া নারী সমাজের পথ চলার দিশারী । বেগম রোকেয়ার ব্যাপারে কামাল জামাল সঠিক কথাটি ব্যক্ত করেছেন। নারীরা আজ পিছিয়ে নেই। প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে নারীরা সাহসী ভূমিকা পালন করছে। এ সমস্ত অবদান এক কথায় বলতে গেলে বেগম রোকেয়ার অবদান। আশা করি শাকিল কথাটি বুঝতে পেরেছ। তোমাকে ধন্যবাদ। মোঃ মিজানুর রহমান।
ঢাকা : কিছু টেলিভিশন চ্যানেল অতি রঞ্জিত ও অপ্রাসংঙ্গিক খবর প্রচার করছে বলে দাবী করেছেন আলোচিত তরুণ সাংসদ গোলাম মাওলা রনি। শুক্রবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার পর কিছু টেলিভিশন চ্যানেল মনোনয়ন পাননি গোলাম মাওলা রনি মর্মে সংবাদ প্রচার করে। এই প্রতিক্রিয়ায় সন্ধ্যায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তরুন এই সাহসী সাংসদ। ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন-
কিছূ টেলিভিশন চ্যানেল খবর প্রচার করছে যে, গোলাম মাওলা রনিকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয়নি । কিন্ত বাস্তব ঘটনা হল আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্রই সংগ্রহ করিনি। আমার প্রশ্ন যেখানে চাওয়ার প্রশ্ন থাকে না, সেখানে দেবার বিষয় কিভাবে উত্থাপিত হয়?
জেল থেকে বের হবার পর আমি এবং আমার পরিবার সিদ্ধান্ত নেই যদি পারি স্বতন্ত্র নির্বাচন করবো। বাংলাদেশের দলকানা রাজনীতিতে স্বাধীনভাবে কথা বলতে গেলে পদে পদে অপমান লাঞ্চনা এবং বাধার সম্মুখিন হতে হয় বলেই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যতদিন সার্মথ্য থাকবে ততদিন সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে কথা বলে যাব ইনসাআল্লাহ...
আর হ্যা, এক দলীয় বা কোনো পাতানো নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে কোলাবরেটর হিসিবে কুখ্যাতি অর্জন করতে চাই না।
মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব: ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের পর থেকেই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা উদ্বেগজনক মার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব: ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের পর থেকেই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা উদ্বেগজনক শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : 'বাংলাদেশ গোলযোগের মধ্যে রয়েছে। গত বছর ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের পর থেকেই এ দেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উদ্বেগ' এমন অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক হাউজ অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স সাব কমিটির সদস্য, রিপাবলিকান দলের কংগ্রেসওমেন তুলসি গাব্বার্ড।
বুধবার কংগ্রেসে উত্থাপিত এক প্রস্তাবে তিনি ওই অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি মানবাধিকার রক্ষায় তৎপরতা বৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা ও জঙ্গি উত্থান প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন।
দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে তুলসি গাব্বার্ড এ প্রস্তাব তোলার পর বক্তব্য রাখেন এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক সাব কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান দলের কংগ্রেসম্যান ম্যাট স্যামন ও একই দলের কংগ্রেসম্যান বব ডোল্ড। বব ডোল্ট বলেন, কোন দেশ তার নাগরিকদের, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ হলে তা বরদাশত করা হবে না। বিশ্বের মানবিক মূল্যবোধের বৃহৎ শক্তি হিসেবে সেসব দেশের কাছে যুক্তরাষ্ট্র একসুরে এই বার্তা পাঠাতে বাধ্য। তুলসি গাব্বার্ড ওই প্রস্তাবে বাংলাদেশে ঝুঁকিতে থাকা সব সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের প্রতি। তুলসি গাব্বার্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রেস রিলিজ ও টুইটারে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে হিন্দু সম্প্রদায়ের একমাত্র সদস্য এই তুলসি গাব্বার্ড। তিনি কংগ্রেসে প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন, আমি বিশেষ করে ধর্মীয় স্বাধীনতা, বিশেষ করে হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে উদ্বিগ্ন। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্তরা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে শাস্তির বাইরে। এসব সংখ্যালঘুদের ওপর যারা সহিংসতা উসকে দিচ্ছে ও সংঘটিত করছে তাদেরকে থামাতে বাংলাদেশ সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এই প্রস্তাবে সংখ্যালঘু সহ সব নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষার জন্য বাংলাদশে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাস শক্তিশালী করতে ও কট্টরপন্থি গ্র“পগুলোকে প্রতিহত করতে হবে সরকারকে। কংগ্রেসম্যান ম্যাট স্যামন বলেন, আমরা আশা করি মানবিক মূল্যবোধ, মুক্তমত ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি যে প্রতিশ্র“তি দিয়েছে তার প্রতি সম্মান দেখাবে বাংলাদেশ। সব নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে কারও রাজনৈতিক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।
সরকারি কৌঁসুলি পাচ্ছেন ডিসিরা সরকারি কৌঁসুলি পাচ্ছেন ডিসিরা শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার বিষয়ে আপিল নিষ্পত্তিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রত্যেক জেলায় একজন করে সহকারী সরকারি কৌঁসুলিকে (এপিপি) দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিনে আইন মন্ত্রণালয়-বিষয়ক আলোচনা শেষে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালতে যে সাজা দেন, সেটা আপিলে অনেক সময় টেকে না। এ জন্য ডিসিরা একজন স্থায়ী সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগ দেওয়ার দাবি করে আসছিলেন। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক জেলায় তাঁদের (ডিসি) সহায়তা দিতে একজন করে এপিপি দেওয়া হবে।
সম্মেলনে আইনমন্ত্রী মামলার জট কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতি সম্পর্কে মানুষকে উৎসাহিত করা এবং এ বিষয়টি প্রচারের জন্য তৎপর হতে ডিসিদের অনুরোধ জানান।
নৌ মন্ত্রণালয়-বিষয়ক আলোচনায় ডিসিদের নদীর দখল রোধে আরও ততপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘ডিসিদের বলা হয়েছে, প্রত্যেকটি নদীর সীমানা চিহ্নিত করে দখল রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।’ - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/30/90431#sthash.0Kafzh3b.dpuf
সুপারকম্পিউটার প্রতি সেকেন্ড শত হাজার ট্রিলিয়নের বেশি হিসাব করতে সক্ষম এমন নতুন প্রজন্মের সুপারকম্পিউটার তৈরি করছে চীন। এই সুপারকম্পিউটারের নাম ‘ডাউনিং ৭০০০’। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/15/88780#sthash.wuf5bsa9.dpuf
মেসার্স এম.এম. ট্রেডার্স
উত্তরমুছুনস্বত্ত্বাধিকারী- মোঃ মামুন হোসেন
39/4, শায়েস্তা খান রোড, পুরাতন কোর্ট
নারায়ণগঞ্জ।
আমরা অনেকেই কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকি। কিন্তু দেখা যাচ্ছে শতকরা 80% লোকেই কম্পিউটার ব্যবহার করার জন্য গুরুত্বর্পূ কি বোর্ড এর কমান্ট জানা নেই, তাই নিম্নে কি বোর্ড এর F1 থেকে F12 পযন্ত বাটন গুলোর কাজ সমুহ দেয়া হলো।
উত্তরমুছুনকম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই বাটন গুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এবং গুরুত্তপূর্ণ ব্যবহার। বিশেষ করে মাউস এর বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায়।
চলুন দেখে নিই কি গুলোর প্রয়োগঃ
F1 : সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহিত হয়। যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজ চলে আসে।
F2 : ধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ডকুমেন্ট খোলা যায় । Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা হয়।
F3 : কি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়।Shift+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 : চেপে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়।পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়। এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
F6 : চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8 : কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালু করার জন্য এই কি টি চাপতে হয়।
F9 : কি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়।
F10 :কি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11 : চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়।
F12 : চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রি
--------- সৌজন্যে-------
মেসার্স এম.এম. ট্রেডার্স
স্বত্ত্বাধিকারী- মোঃ মামুন হোসেন
পুরাতন কোর্ট, কে. এস টাওয়ার, নারায়ণগঞ্জ।
সেন্ড করা মেইল ফেরত অানা যাবে জি-মেইলে
উত্তরমুছুনটেক ডেস্ক॥
অফিসে বসের উপর বিরক্ত হয়ে হঠাৎ করেই মেইলে লিখলেন, চাকরিটা আর করবেন না। চিন্তা করছেন সেন্ড করবেন কি না। হঠাৎ করেই সেন্ড বাটনে ক্লিক করে ফেললেন। মেইল সেন্ড করেই ভাবলেন, কাজটি করা ঠিক হয়নি।
এ ধরনের সমস্যা থেকে এখন আপনাকে পরিত্রাণ দেবে গুগল মেইলের (জি-মেইল) আনডু অপশন। সাম্প্রতি গুগল মেইলে যুক্ত হয়েছে আনডু অপশন। এখন থেকে সেন্ড করা মেইল আপনি ফেরত আনতে পারবেন। খবর এনডিটিভির।
যেভাবে অপশনটি চালু করবেন:
প্রথমে আপনার জি-মেইলে সাইন ইন করুন। মেইল বক্সের ডান দিকের উপরে সেটিং বক্সে ক্লিক করে সেটিং অপশনে ক্লিক করুন। লম্বা একটি তালিকা দেখতে পাবেন। উপরের দিকে থাকা অপশনগুলোতে জেনারেল সিলেক্ট করা না থাকলে করে নিন। একটু নিচের দিকে নামতে থাকলে দেখতে পাবেন 'আনডু সেন্ড'। এটি সক্রিয় করলেই ১০, ২০ ও ৩০ সেকেন্ডের তিনটি অপশন আসবে। আর্থাৎ কত সেকেন্ডের মধ্যে আনডু করতে পারবেন। এখন থেকে আপনার পাঠনো মেইল পাঠানোর পরেই একটি নোটিফিকেশন দেখাবে। সেখান থেকেই পাঠনো মেইল আনডু করা যাবে। আপনার কোনও মেইল আনডু করলে তা ড্রাফট বক্সে ফেরত আসবে।
প্রসঙ্গত, গত ৬ বছর এই অপশনটি জি-মেইলের ল্যাবে ছিল। ২০০৯ সালে এটি সম্পর্কে জি-মেইল প্রথম জনসমক্ষে তথ্য প্রকাশ করে।
নিউজবিডি৭১ডটকম
উত্তরমুছুনঢাকা: রাজধানীতে ভাড়ায় মিলছে স্বামী! এ বাণিজ্যে তিন ধরনের কাজের জন্য স্বামী পরিচয়ে পুরুষ ভাড়া করা হয় বলে জানা গেছে। স্বামী হিসেবে ভাড়ায় খেটে নিজের সংসার চালাচ্ছেন এমন চাঞ্চল্যকর তথ্যও পাওয়া গেছে। দিনে ১০০ টাকা থেকে মাসে পাঁচ থেকে সাত হাজার টাকায় ভাড়ায় স্বামী পাওয়া যায়। আবার একই পুরুষ ভাড়ায় খাটেন একাধিক নারীর স্বামী পরিচয়ে এমন তথ্যও পাওয়া গেছে। রাজধানীর জুরাইনএলাকার ফুটপাতের খুদে দোকানি আলো বেগমের স্বামী নেই। আরেক বিয়ে করে স্বামী চলে গেছে। কোথায় গেছে সেটাও তার জানা নেই। তিনটি সন্তান নিয়ে ফুটপাতে কখনও পিঠা, কখনও মৌসুমি ফল, সঙ্গে চা-পান বিক্রি করে জীবন চালান তিনি। ছেলেকে চা-পানের দোকান আলাদা করে দিতে পাঁচ হাজার টাকার ঋণ দরকার তার। একটি এনজিও থেকে ঋণ পেতে স্বামী দরকার। এনজিওর লোকজন বলছে ঋণ পেতে হলে স্বামী-স্ত্রী দুজনের ছবি লাগবে। মাস কয়েক আগে এনজিওর ঋণ পেতে একজন স্বামী ভাড়া করেছিলেন তিনি। ঋণের টাকা থেকে ৫০০ টাকা দিয়েছেন তাকে। মাত্র ৫০০ টাকাতেই আলো বেগমের সঙ্গে স্বামী পরিচয়ে এনজিও অফিসে গিয়ে ছবি তুলে ঋণ পেতে সহায়তা করেছেন বিশু নামের এক লোক।
ঢাকার বিভিন্ন আবাসিক হোটেলে যৌনকর্মীদের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ওইসব যৌনকর্মী এখন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার ফ্ল্যাট বাড়ি ভাড়া নিয়ে দেহ ব্যবসা শুরু করেছে। বাড়ি ভাড়া নিতে গেলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে স্বামী ছাড়া বাড়ির মালিক বাসা ভাড়া দিতে চান না। বাড়ি ভাড়া নেওয়ার ওই প্রতিবন্ধকতার কথা চিন্তা করে যৌনকর্মীরা তাদের পূর্বপরিচিত কোনো পুরুষকে স্বামী হিসেবে ভাড়া করেন। বাড়ি ভাড়া করার সময় সঙ্গে থাকেন ভাড়াটে স্বামী। দেখা গেছে, বাড়ি ভাড়া নেওয়ার সময় বাড়ির মালিককে বলা হয় স্বামী নিয়মিত ঢাকায় থাকে না, বাইরের কোনো জেলায় চাকরি বা ব্যবসা করে। একই সঙ্গে বলা হয়, বাসায় নিয়মিত থাকবে তার স্ত্রী ও দুই বা তিন বোন। ওই বোনদের থাকার কথা বলে জায়েজ করে নেওয়া হয় আরো দুই-তিনজন যৌনকর্মীকে। এভাবেই রাজধানীজুড়ে ফ্ল্যাট বাড়িগুলোতে চলছে যৌনবাণিজ্য।
শনির আখড়ার সোহান (ছদ্মনাম) বরিশাল থেকে অভাবের তাড়নায় ঢাকায় আসেন। এসএসসিও পাস নয়, তাই কোনো চাকরি দিতে চাচ্ছেন না কেউ। এরই মধ্যে দেখা মিলে ছিনতাইকারী কাজলের সঙ্গে। নিরূপায় হয়ে তার সঙ্গে যোগ দেয় সংসদ ভবন এলাকায় ছিনতাইয়ের কাজে। পরিবর্তন করে ফেলে নিজের বংশ-পরিচয়ও। এরই মধ্যে পরিচয় হয় স্বামী পরিত্যক্তা রুপার (ছদ্মনাম) সঙ্গে। তখন তিনি একটি প্রাইভেট কোম্পানিতে চাকরির পাশাপাশি যৌন ব্যবসায় লিপ্ত ছিলেন। সিদ্ধান্ত হয় স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে দুজন রাজধানীর শনির আখড়ায় বসবাস করবেন। এরপরই বিউটি পার্লার ব্যবসার আড়ালে রুপা শুরু করে জোরালো যৌনব্যবসা। বিধিবাম, এলাকার দুষ্ট বেরসিক ছেলেরা জেনে যায় সোহান-রুপা আসলে স্বামী-স্ত্রী নন। দুজনের এ অবাধ বসবাসে বাধ সাদে তারা। দুজনকেই বাধ্য করে সত্যিকারের বিয়েতে। এছাড়াও সোহান রাজধানীর শান্তিনগর, বাড্ডা, ফার্মগেট এলাকাসহ ৮-৯টি স্থানে যৌনকর্মীদের স্বামী পরিচয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে নিজে কামাচ্ছেন মোটা অঙ্কের টাকা। আর মাঝে মধ্যে খদ্দের জোগাড় করে দিলে তার কমিশনতো আছেই।
শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : সারা দেশের ১৪৮টি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি বলে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটি জানিয়েছে।
উত্তরমুছুনএই কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবু বক্কর ছিদ্দিক বৃহস্পতিবার এই তথ্য জানিয়ে বলেন, কলেজগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত ২৯ জুন থেকে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়েছে, চলবে আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত। গত ১ জুলাই একাদশ শ্রেণিতে ক্লাস শুরু হয়েছে।
আটটি সাধারণ বোর্ডের সঙ্গে মাদ্রাসা ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট আট হাজার ৯৩৩টি কলেজে একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির অনুমোদন রয়েছে।
এবার ঢাকা বোর্ডের ১৪টি কলেজ এবং কুমিল্লা বোর্ডের ছয়টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি বলে বোর্ড কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।
এছাড়া রাজশাহী বোর্ডের ১৫টি, যশোর বোর্ডের ১০টি, চট্টগ্রামে একটি, বরিশালে একটি, সিলেটে পাঁচটি এবং দিনাজপুর বোর্ডের ১৬টি কলেজের একাদশ শ্রেণিতে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি।
কারিগরি বোর্ডের অধীন ৭২টি কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং মাসাদ্রা বোর্ডের অধীনে আটটি মাদ্রাসায়ও কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি।
আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক আবু বক্কর মনে করেন, কলেজগুলোর মান ভাল না হওয়ায় সেখানে একজন শিক্ষার্থীও ভর্তি হয়নি।
“তবে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের চেয়ে কলেজগুলোতে আসন বেশি থাকায় শিক্ষার্থীরা পছন্দের কলেজেই ভর্তি হয়েছে, এক্ষেত্রে তাদের আগ্রহ প্রাধান্য পেয়েছে,” বলেন তিনি।
তবে যেসব কলেজে কোনো শিক্ষার্থী ভর্তি হয়নি শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করে সেগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান আবু বক্কর।
বৃহস্পতিবার এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ গণমাধ্যম কর্মীদের জানিয়েছেন, এবার একাদশ শ্রেণিতে দুই লাখের বেশি আসন ফাঁকা থাকবে। এবছর মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষায় ১২ লাখ ৮২ হাজার ৬১৮ জন পাস করেছে।
আবু বক্কর বলেন, এবার অনলাইনে ভর্তি কার্যক্রম হাতে নেওয়ায় কোনো কলেজেই ভুয়া শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে পারেনি। এছাড়া অন্য বছরগুলোতে ওইসব কলেজ কিছু শিক্ষার্থীর নামে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নিবন্ধন করিয়ে পাঠদানের অনুমতি ঠিক রাখত বলে মনে করেন তিনি।
তবে কারিগরি জটিলতা দেখা দেওয়ার নির্ধারিত সময়ের তিন দিন পর গত ২৮ জুন মধ্যরাতে ভর্তির জন্য প্রথম মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয়। ওই তালিকায় হাজারো ভুলের কারণে কলেজে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়েন শিক্ষার্থীরা। অনেক কলেজ কর্তৃপক্ষও সময়মতো তালিকা না পেয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করাতে ভোগান্তিতে পড়ে। বিলম্ব ফি ছাড়াই শিক্ষার্থীরা আগামী ২৬ জুলাই পর্যন্ত কলেজে ভর্তির সুযোগ পাচ্ছেন।
গত কয়েক বছর ধরে মাধ্যমিক পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে এ
কাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হচ্ছে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/23/89621#sthash.1RAKSLMW.dpuf
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : সুপারকম্পিউটার প্রতি সেকেন্ড শত হাজার ট্রিলিয়নের বেশি হিসাব করতে সক্ষম এমন নতুন প্রজন্মের সুপারকম্পিউটার তৈরি করছে চীন। এই সুপারকম্পিউটারের নাম ‘ডাউনিং ৭০০০’।
উত্তরমুছুনচীনের প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাউনিং ইনফরমেশন ইন্ডাস্ট্রির প্রেসিডেন্ট লি জুন বলেন, ডাউনিং ৭০০০ তৈরি করা হচ্ছে মূলত বাজারের চাহিদার কথা মাথায় রেখে। দ্রুতগতির যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, বড় আকারে তথ্য সংরক্ষণ ও অ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যারের জন্য এটি তৈরি করা হচ্ছে। চীনের বিজ্ঞান অ্যাকাডেমি এতে সহযোগিতা করছে। ডাউনিং এর আগে নেবুলা বা ডাউনিং ৬০০০ নামে সুপারকম্পিউটার তৈরি করেছিল। ২০১০ সালে করা বিশ্বের শীর্ষ ৫০০ টি সুপারকম্পিউটারের তালিকায় নেবুলা দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল। এটি সেকেন্ডে এক দশমিক ২৭১ পেটাফ্লপ গতিতে হিসাব করতে সক্ষম।
কম্পিউটারের গতি নির্ধারক লিনপ্যাক বেঞ্চমার্কের সাহায্যে প্রতিবছর দুবার বিশ্বের সেরা ৫০০টি সুপার কম্পিউটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেকেন্ডে এক হাজার ট্রিলিয়ন গাণিতিক হিসাব করার ক্ষমতাসম্পন্ন পেটাফ্লপ গতির সুপার কম্পিউটারগুলোর একটি তালিকা করেন টেনেসি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক জ্যাক ডংগারা। মেট্রিক পদ্ধতিতে শত কোটিকে বলা হয় এক বিলিয়ন। এক হাজার বিলিয়নকে বলা হয় এক ট্রিলিয়ন এবং এক হাজার ট্রিলিয়নকে বলা হয় এক পেটা।
লি জুন বলেন, ডাউনিংয়ের নতুন সুপারকম্পিউটার হবে সব ধরনের কাজের উপযোগী যন্ত্র। এটি নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য মেইনফ্রেম কম্পিউটার হবে। তাই এর নির্মাণচক্র দীর্ঘায়িত হতে পারে।
বর্তমানে এটি পরীক্ষামূলক ও অ্যাসেম্বল দশায় পৌঁছেছে। আগামী দুই বছরের মধ্যে এর দেখা মিলতে পারে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/15/88780#sthash.AuRKyr51.dpuf
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : এই সময়ের কোনও কিশোর-কিশোরীর কাছে যদি জানতে চাওয়া হয়, যে সময়ে মোবাইল ফোন ছিল না সে সময়টি সম্পর্কে তাদের ধারণা কি? নিশ্চিতভাবেই তারা অবাক হবেন।
উত্তরমুছুনআর যদি কোনও যুবক-যুবতীর কাছে জিজ্ঞাসা করা হয়, মোবাইল ফোন ছাড়া তাদের পক্ষে থাকা সম্ভব কি না? এক কথায় জবাব আসবে, 'না'।
অথচ দুই দশক আগেও এখনকার মতো বাংলাদেশের কোটি কোটি মানুষের হাতে ছিল না কোনও মোবাইল ফোন।
রুকন ভূঁইয়া একজন তরুণ স্থপতি। বাংলাদেশের এখনকার আরও অনেক তরুণের মতোই একটি স্মার্টফোন রয়েছে তার।
আর কে না জানে এখনকার সময়ের স্মার্ট মোবাইল ফোন শুধু কথা বলা আর বার্তা পাঠানোর যন্ত্র নয়, এর রয়েছে হরেক ব্যবহার এবং এটিকে টেলিফোন না বলে কম্পিউটার বলাই ভাল।
ভূঁইয়া বলছেন, তিনি তার মোবাইল ফোনটি দিয়ে আর দশটা সাধারণ কাজের পাশাপাশি ভবনের নকশা প্রণয়নের কাজও করেন।
তার শৈশব ও কৈশোর অবশ্য কেটেছে তারহীন এই যোগাযোগের মাধ্যমটি ছাড়া।
তিনি দুটো সময়েরই প্রতিনিধি।
'ওই সময়ে বন্ধুকে একটু ডাক দেয়া, জানালা খুলে কাউকে একটু নক করার মতো বিষয়গুলো এখন বদলে গেছে। এখন মোবাইল ফোনের মেসেঞ্জার খুলে আমরা বন্ধুকে নক করি'। বলছিলেন ভূঁইয়া।
সবার হাতেই মোবাইল ফোন:
বাংলাদেশে এখন জনসংখ্যার অনুপাতে মোবাইল ফোনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা শতকরা ৭৮ ভাগেরও বেশি।
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের দেয়া তথ্যমতে গত মে মাসে দেশটিতে সক্রিয় মোবাইল সংযোগের সংখ্যা ছিল প্রায় সাড়ে বারো কোটি।
দেশটিতে এখন জনসংখ্যার অনুপাতে মোবাইল ফোনের ব্যবহারকারীর সংখ্যা শতকরা ৭৮ ভাগেরও বেশী।
ঢাকার বসুন্ধরা শপিং মলের রেলিংয়ে দাঁড়িয়ে সেলফি তুলছিলেন দুজন তরুণ-তরুণী।
এদের একজন বলছিলেন, 'এখন দূরত্বটা আমরা কম অনুভব করি। মোবাইলে ইন্টারনেট সংযুক্ত থাকলে আমি সবসময়েই সবার সাথে যুক্ত থাকছি। ফোন ছাড়া এখন একটি দিনও ভাবতে পারিনা'।
আরেক কিশোর বলছিলেন, 'বাবা-কাকাদের মুখে শুনি তাদের সময় মোবাইল ছিল না। তারা কিভাবে টিকে থাকতেন ভাবতেই পারি না'।
১৯৯৩ সালে যা ছিল প্রচ- ব্যয়বহুল সীমিত সংখ্যক উচ্চবিত্তদের হাতে, আজ তা ছড়িয়ে গেছে বিত্তের সর্বনিম্ন পর্যায় পর্যন্ত।
এমনকি গৃহকর্মী কিংবা রিকশাচালকদের মতো সমাজের সবচাইতে নিচের শ্রেণির মানুষদেরকেও আজকাল হামেশাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে দেখা যায়।
গত দশ বছর ধরে ঢাকায় রিকশা চালান মোহাম্মদ তাওহীদ হোসেন। তিনি গত ছয় বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যাবহার করেন।
'বগুড়ায় থাকা পরিবারের সদস্যদের সাথে যোগাযোগ করা, টাকা পাঠানো সব কিছুই মোবাইল ফোনে করি আমি'। বলছিলেন তিনি।
কেউ কি আছেন মোবাইল ছাড়া?
বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভির অনুষ্ঠান-প্রধান মোস্তফা কামাল সৈয়দ অবশ্য কোনদিন মোবাইল-টেলিফোন ব্যবহার করেননি।
গত দশ বছর ধরে ঢাকায় রিকশা চালান মোহাম্মদ তাওহীদ হোসেন। তিনি গত ছয় বছর ধরে মোবাইল ফোন ব্যাবহার করেন।
'৯০এর দশকে আমি তখন রাষ্ট্রায়ত্ত বাংলাদেশ টেলিভিশনের অনুষ্ঠান প্রধান। তখন সরকারের তরফ থেকে আমাকে একটি মোবাইল ফোন দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছিল। কিন্তু এক পর্যায়ে অতিরিক্ত ব্যয়বহুল হবার কারণে মন্ত্রণালয় সেই প্রক্রিয়া বাতিল করে দেয়। এরপর থেকে আমার আর মোবাইল ফোন নেয়া হয়নি কোনদিন'। অবশ্য সৈয়দের মতো মানুষ এখন খুব কমই মিলবে।
অবশ্য গ্রামে গঞ্জে অনেকেই হয়তো মোবাইল ফোন ব্যবহার করেন না। কিন্তু শহরাঞ্চলে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও গণযোগাযোগ বিশেষজ্ঞ ড. গীতি আরা নাসরীন বলছেন, 'সবার হাতে মোবাইল ফোন ছড়িয়ে পড়ায় এখন কেউই কোথাও পূর্ণ মনোযোগ দিচ্ছে না। নতুন ধরণের অস্থিরতা তৈরি হচ্ছে মানুষের মধ্যে'।
'ফোন আছে বলে আমরা সারাক্ষণ ফোন করছি। কিন্তু যখনই কাউকে ফোনে পাচ্ছি না তখন নতুন করে দু:শ্চিন্তা শুরু হচ্ছে'।
অবশ্য এককালে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষার কঠিন কাজটি যে আজ যে জলের মতো সহজ হয়ে গেছে তার কৃতিত্ব নিশ্চিতভাবেই মোবাইল ফোনেরই প্রাপ্য। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/23/89542#sthash.sFQeboX3.dpuf
৩০টি আইএসপি লাইসেন্স বাতিল
উত্তরমুছুনশীর্ষ নিউজ, ঢাকা : মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার পরও নবায়ন না করায় ৩০টি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানের (আইএসপি) লাইসেন্স বাতিল হয়েছে।
সেই সঙ্গে প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ দিয়ে রোববার বিটিআরসি বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে।
যেসব প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে সেগুলো হলো- নেক্সটেল টেলিকম লিমিটেড, পলি আইটি লিমিটেড, গ্লোবাল এক্সসেস লি, বি জে ইন্টারন্যাশনাল, ফ্লোরা লিমিটেড, সিপিএম ব্লু অনলাইন, ইকটু লিমিটেড, গ্লোবাল টেকনোলজি লিমিটেড, জি নেট টেকনোলজি, এক্সিস টেকনোলজি।
সিগমা সিস্টেম লিমিটেড, ওয়েব ইন্টারনেট, আই-নেট, গনিবাংলা ইলেকট্রনিক্স এন্ড কম্পিউটার লিমিটেড, এম জি ইলেকট্রনিক, জিয়া অনলাইন, টি- নেটওয়ার্ক, ট্রাই ইউনিটেক, স্মার্ট সিস্টেম এন্ড কনসালটেন্ট, মক্কামদিনা ট্রেডার্স।
হাজারী বিজনেস সেন্টার, ই-নেট, সিসটেল আইটি, ওয়েস্টার্ন কমিউনিকেশন্স, আইটি সোর্স, এস এ টেলিকম সিস্টেম, বি কানেক্ট অনলাইন, জিরো ফর নেটওয়ার্ক, করতোয়া অনলাইন লিমিটেড এবং এসএএস টেকনোলজি।
বিটিআরসি জানিয়েছে, শর্তানুযায়ী মেয়াদোত্তীর্ণ হওয়ার আগেই লাইসেন্স নবায়নের আবেদন করার বিধান রয়েছে। কিন্তু আইএসপি লাইসেন্সধারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও নবায়নের জন্য আবেদন করেনি, তাই প্রতিষ্ঠানগুলোর আইএসপি লাইসেন্সের কোনো বৈধতা নেই।
এসব লাইসেন্স এর অধীনে কার্যক্রম চালানো অবৈধ এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে বলে জানিয়েছে বিটিআরসি।
কমিশনের সব পাওনা বকেয়া আগামী ১০ দিনের মধ্যে পরিশোধ করা না হলে আইনুনাগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও বিটিআরসি জানিয়েছে।
- See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/12/88461#sthash.E9ArJbtS.dpuf
শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : সম্প্রতি ফেসবুকের অ্যাকাউন্টের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন বহু ব্যবহারকারী। এবার তাদের এ উদ্বেগ দূর করতে নিরাপদ প্রিটি গুড প্রাইভেসি (পিজিপি) এনক্রিপশন ব্যবস্থা চালু করেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।
উত্তরমুছুনএক প্রতিবেদনে বিষয়টি জানিয়েছে, ইনডিপেনডেন্ট।
পিজিপি মূলত একটি প্রোগ্রাম-যা ব্যবহার করে সাংবাদিক, অ্যাক্টিভিস্ট এবং গোপনে মেসেজ আদানপ্রদানে আগ্রহীরা। এটি মূলত দুটি 'কি' ব্যবহার করে। এর একটি পাবলিক, যা ঠিকানা হিসেবে ব্যবহৃত হয়। অন্যটি প্রাইভেট, যা পাসওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
নতুন পিজিপি এনক্রিপশনের আওতায় থাকলে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আপনার অ্যাকাউন্টের তথ্য জানতে পারবে না, এমনটাই জানিয়েছে ফেসবুক।
পিজিপি কি-এর আওতায় ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে মেইল পাঠাবে ফেসবুক। এ নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে মেসেজ এমনভাবে এনক্রিপ্ট করা হবে যে, শুধু মেসেজটির প্রাপকই মেইল পড়তে পারবে। এর ব্যবহারকারীরা সহজেই এ এনক্রিপশনের নিরাপত্তাব্যবস্থার আওতায় থাকবে।
ফেসবুকের প্রোফাইলে এ এনক্রিপশন ব্যবহার করা হলে তার নিরাপত্তা নিশ্চিন্ত হবে।
কিন্তু প্রাথমিকভাবে ফেসবুক এ ব্যবস্থা গ্রহণ করার আগে পরীক্ষা করে দেখার আহ্বান জানিয়েছে ব্যবহারকারীদের। এতে প্রাথমিকভাবে মেসেজ এনক্রিপ্ট করা হবে এবং পরে ডিক্রিপ্ট করা হবে। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/06/09/83805#sthash.vQ6MqWC3.dpuf
কৃত্রিম মস্তিষ্ক সৃষ্টিতে আরেক ধাপ অগ্রগতি
উত্তরমুছুনপ্রযুক্তিবিষয়ে অস্ট্রেলিয়ার সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক বিশ্ববিদ্যালয় আরএমআইটির গবেষকরা মানব মস্তিষ্কের মতোই দীর্ঘমেয়াদে স্মৃতি ধরে রাখতে পারবে এমন একটি ইলেকট্রনিক মেমোরি সেল উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছেন। এর মধ্য দিয়ে মানব মস্তিষ্ক যেভাবে তথ্য প্রক্রিয়াজাত করে কৃত্রিম ন্যানো মেমোরি সেল ব্যবহার করে প্রায় সেভাবেই তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণের পদ্ধতি উদ্ভাবন করলেন ওই বিজ্ঞানীরা।
বিশ্ববিদ্যালয়টির মাইক্রো ন্যানো রিসার্চ ফ্যাসিলিটি (এমএনআরএফ) বিশ্বের প্রথম এই মাল্টি-স্টেট মেমোরি সেলটি তৈরিতে সক্ষম হয়েছে। এটি মানব মস্তিষ্কের মতো একই সঙ্গে তথ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বহুমুখী সূত্রের তথ্য সংরক্ষণে সক্ষম।
এই আবিষ্কারের ফলে যান্ত্রিক মস্তিষ্ক তৈরির পথে গুরুত্বপূর্ণ আরেকটি ধাপ অতিক্রম করল বিজ্ঞানীরা। এর ফলে আলঝেইমার ও পারকিনসন্স এর মতো স্নায়বিক রোগের চিকিৎসার ক্ষেত্রেও সাফল্যের নতুন দরজা উম্মুক্ত হবে।
সম্প্রতি ম্যাটেরিয়েল সায়েন্স জার্নাল- ‘এডভান্সড ফাংশনাল ম্যাটেরিয়ালস’ এ বিষয়ক গবেষণা পত্রটি প্রকাশ করে।
আরএমআইটির ফাংশনাল ম্যাটেরিয়ালস অ্যান্ড মাইক্রোসিস্টেম রিসার্চ গ্রুপের সহ-নেতা ড. শরৎ শ্রীরাম ওই গবেষণা প্রকল্পের নেতৃত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘এই আবিষ্কারের ফলে মানব মস্তিষ্ক যেমন করে তথ্য আত্মস্থ করে ও সংরক্ষণ এবং পরে যেমনভাবে দ্রুততার সঙ্গে তা বিতরণ করে তেমন ক্ষমতা সম্পন্ন কৃত্রিম মস্তিষ্ক তৈরির পথে আমরা আরেকধাপ এগিয়ে গেলাম।’
মানব মস্তিষ্ক মূলত তার পূর্ব অভিজ্ঞতার ওপর ভিত্তি করে বিবর্তিত হয়। ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আজ পর্যন্ত এর কোনো বিকল্প তৈরি সম্ভব হয়নি। এর আগে আরএমআইটির গবেষকরা খুবই দ্রুতগতি সম্পন্ন ন্যানো স্কেল মেমোরি উদ্ভাবনে সক্ষম হয়েছিলেন। কার্যকরী অক্সাইড উপাদান ব্যবহার করে খুবই পাতলা ফিল্ম এর আদলে (মানুষের চুলের চেয়েও ১০ হাজার গুন পাতলা) ওই মেমোরি উদ্ভাবন করেন বিজ্ঞানীরা।
এই গবেষণা প্রকল্পগুলোতে আরএমআইটিকে সহযোগিতা করছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া সান্তা বারবারা। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/05/22/81560#sthash.yMX7n16l.dpuf
সোয়ান শ্রমিকদের আন্দোলন চলছে, শ্রম ভবন ঘেরাও
উত্তরমুছুনসোয়ান শ্রমিকদের আন্দোলন চলছে, শ্রম ভবন ঘেরাও শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : তিন মাসের বকেয়া বেতন-ভাতা ও কারখানা খুলে দেওয়ার দাবিতে আজ মঙ্গলবার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর ঘেরাও করেছে সোয়ান গার্মেন্টস ও সোয়ান জিনসের শ্রমিকেরা।
একই দাবিতে আজ জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনেও দশম দিনের মতো অব্যাহত ছিল তাঁদের অবস্থান কর্মসূচি।
জানা যায়, বেলা ১১টার দিকে বৃষ্টির মধ্যেই শ্রমিকেরা রাজউক অ্যাভিনিউর শ্রম ভবন ঘেরাও করেন। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয় এই ভবনেই। কর্মসূচির একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে শ্রমিকদের ধাক্কা-ধাক্কির ঘটনা ঘটে। পরে সেখানেই অবস্থান নিয়ে সমাবেশ করেন তাঁরা।
গার্মেন্টস শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি মন্টু ঘোষের সভাপতিত্বে এতে বক্তব্য দেন সংগঠনের কার্যকরী সভাপতি সাদেকুর রহমান, সহসভাপতি ইদ্রিস আলী, সাধারণ সম্পাদক কাজী রুহুল আমিন, সহসাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন প্রমুখ। এ সময় শ্রমিক নেতারা দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।
শ্রম মন্ত্রণালয় সোয়ানের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানে ৮ জুলাই কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে আহ্বায়ক করে একটি কমিটি গঠন করে। এর সদস্যরা এখন পর্যন্ত কোনো বৈঠক না করায় শ্রমিকেরা এ ঘেরাও কর্মসূচি দেন। আগামী ২৭ জুলাই বৈঠক হওয়ার কথা।
সাদেকুর রহমান জানান, ঘেরাও কর্মসূচির একপর্যায়ে অধিদপ্তরের দুজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ২৭ জুলাইয়ের পরিবর্তে ২৩ জুলাই কমিটির বৈঠক হবে বলে আশ্বাস দেন। তারপর শ্রমিকেরা আজকের ঘেরাও কর্মসূচি শেষ করেন।
তিনি আরও জানান, আজ দশম দিনেও সোয়ানের শ্রমিকেরা সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকেল পর্যন্ত জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। এদিকে টানা অনশনে থাকা ২০ জন শ্রমিক জ্বর, ঠান্ডা ও ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান এই শ্রমিক নেতা।
কমিটির সদস্য বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সাধারণ সম্পাদক ওয়াজেদ-উল ইসলাম খান বলেন, ‘যত দূর আমরা শুনেছি, সোয়ানের বিষয়টি খুবই জটিল। তবে বিজিএমইএ নেতারা কিছুটা তৎপর হয়ে যদি সোয়ান গ্রুপের মালিকানা দাবিদারদের কাছ থেকে বন্ড নিয়ে টাকা জোগাড় করে শ্রমিকদের পাওনা দিয়ে দিতেন, তাহলে তাদের রাস্তায় ঈদ করতে হতো না। পরে বিজিএমইএ সেই টাকা সোয়ানের বৈধ মালিকদের কাছ থেকে আদায় করতে পারত।’
সোয়ান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিং ইউন হন গত এপ্রিলে আত্মহত্যা করেন। চীনা এই নাগরিকের দুই স্ত্রী ও তিন কন্যা আছে। মিং ইউন মারা যাওয়ার পর সম্পত্তির মালিকানা বুঝে পেতে তাঁর দুই স্ত্রী-ই আদালতে মামলা করেন। বিজিএমইএ ১৬ জুলাই বলেছে, আদালত মালিকের উত্তরাধিকার চূড়ান্ত করে সম্পত্তি বিক্রির অনুমতি দেবেন। তারপরই সোয়ানের অবন্ধকী সম্পত্তি বিক্রি করে শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধ করা সম্ভব হবে।
- See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/21/89386#sthash.EGSczOcO.dpuf
ইইউ করেন মানবাধিকার কমিটির সদস্য
উত্তরমুছুন'ভুল পথে হাঁটছে বাংলাদেশ'
'ভুল পথে হাঁটছে বাংলাদেশ' শীর্ষ নিউজ, লন্ডন : বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতিকে নাজুক উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছেন সুইডিশ ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটস, ইউরোপীয়ান পার্লামেন্টের ফরেন এফেয়ার্স এবং হিউম্যান রাইটস কমিটির প্রভাবশালী সদস্য ল্যার অ্যাডাকটুসন। বৃহস্পতিবার দেয়া ওই বিবৃতিতে তিনি মন্তব্য করেছেন, বাংলাদেশ এখন ভুল পথে হাঁটছে। অ্যাডাকটুসন এখানেই থেমে থাকেননি। তিনি অত্যন্ত কড়া ভাষায় বিগত নির্বাচনের সময়ে সহিংসতা, রাজনৈতিক হত্যা, কিডন্যাপ, গুম, খুনের অবস্থার বর্ণনা দিয়ে বলেছেন, সেই নির্বাচনে ১৫০ জনের মতো মানুষ নিহত হয়েছিলো। বিবৃতিতে তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে শিশু সামিউল রাজন হত্যার বীভৎস দৃশ্য সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়ার মাধ্যমে প্রমাণ করে দেশটি কতো ভয়াবহ অবস্থার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ যদিও দেশটির নিয়ন্ত্রণ করছে, তথাপি সিভিল সোসাইটি, ব্লগার, সাংবাদিক হত্যা একের পর এক বেড়েই চলছে এবং আইনের শাসন ক্ষয়িষ্ণু এবং গণতন্ত্র ধীরে ধীরে মৃত্যুমুখে পতিত হচ্ছে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে দেশটি পুলিশী রাষ্ট্র অথবা গৃহযুদ্ধের দিকে ধাবিত হচ্ছে। এমতাবস্থায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে হাত গুটিয়ে বসে থাকলে চলবেনা। দেশটির সরকারকে সহিংসতা বন্ধ এবং বিরোধীদের দমনের পন্থা বন্ধের ব্যবস্থা নিতে হবে। গণতান্ত্রিক নির্বাচিত ব্যবস্থাকে সমুন্নত রাখতে হবে। যদি তা না হয়, তাহলে দেশটির নেতৃত্বের সাথে সকল ধরনের সহযোগীতা এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নকে উইথড্র করার কথা ভাবতে হবে।
- See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/17/88963#sthash.BbYN5Asl.dpuf
নারী শিক্ষার সাহসী কন্যা, বাংলার নারীদের শিক্ষার মুক্তি পথ দেখালেন বেগম সুফিয়া কামাল। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন চির জীবন। তার সাহসী পথ দেখে এ দেশের নারীরা এগিয়ে যাবে বহুদুর। এ সমাজে দেখা যায় নারীরা প্রতিবাদ করতে শিখেছে। এখন নারীরা প্রতিবাদ করতে ভয় পায় না। এই শিক্ষা অন্য কেউ নয়। আমাদেরই দেশের গর্বিতজন বেগম সুফিয়া কামাল।
উত্তরমুছুন---------------------(কামাল জামাল)- মোবাঃ 01711909733
‘বিল কসবির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করা যাবে’
উত্তরমুছুন‘বিল কসবির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করা যাবে’ শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : জনপ্রিয় মার্কিন কমেডি অভিনেতা বিল কসবির বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির মামলা করা যাবে বলে রায় দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সুপ্রিম কোর্ট।
দ্যা কসবি শো খ্যাত মি কসবির বিরুদ্ধে সম্প্রতি যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন এক নারী।
তার ভাষ্যমতে ৭০ এর দশকে তার বয়স যখন ১৫ তখন মি কসবি তাকে যৌন হয়রানি করেছেন।
ঐ নারী সিভিল কোর্টে একটি মামলার উদ্যোগ নিলে বিল কসবি তা রুখতে সুপ্রিম কোর্টে যান।
আদালত আবেদন খারিজ করায় এখন বিল কসবির বিরুদ্ধে মামলার পথ উন্মুক্ত করে হলো।
অভিযোগকারীর আইনজীবী বিষয়টিকে একটি বড় জয় বলে উল্লেখ করেছেন।
আগামী ৩০ দিনের মধ্যে বিল কসবিকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে।
৭৮ বছর বয়সী বিল কসবির বিরুদ্ধে আরো ২৫ জনের মতো নারী যৌন হয়রানির অভিযোগ তুলেছেন।
বিল কসবি এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
'বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি'
উত্তরমুছুন'বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি' শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি এমন মন্তব্য করেছেন ভারতীয় জনপ্রিয় নায়িকা কারিনা কাপুর।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে শহিদকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী।
তিনি বলেন, ৩৪ বছর বয়সী এই অভিনেতা ঠিক সময়ে বিয়ে করেছেন বলেও মন্তব্য করেছেন বেবোর (কারিনার ডাকনাম)। তার কথায়, ‘‘বিয়ের পর শহিদের চোখেমুখে অন্যরকম প্রশান্তি লক্ষ্য করেছি। ক্যারিয়ারের দিক দিয়ে এখন খুবই ভালো জায়গায় আছে ও। তবে বিয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত না হলে শহিদ কখনো তা করতো না। সন্দেহ নেই, শহিদ স্বামী হিসেবেও দারুণ হবে।
উল্লেখ্য, শহিদ তার বিয়েতে নতুন দম্পতিকে নিমন্ত্রণ করেছিলেন। কারিনা না যেতে পারলেও তার ও মিরা রাজপুতের জন্য পাঠিয়েছেন বিশেষ উপহার।
এই জুটি একসঙ্গে বেশ কয়েকটি ছবিতে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। এগুলো হলো ‘ফিদা’ (২০০৪), ‘থার্টি সিক্স চায়না টাউন’ (২০০৬), ‘চুপ চুপ কে’ (২০০৬), ‘জাব উই মিট’ (২০০৭) এবং ‘মিলেঙ্গে মিলেঙ্গে’ (২০১০)।
- See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/20/89279#sthash.jwdwYLst.dpuf
রাজউক ভবনে ৬ সন্ত্রাসী আটক
উত্তরমুছুনরাজউক ভবনে ৬ সন্ত্রাসী আটক শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রকল্পে টেন্ডার জমা দিতে বাধা দেওয়ায় ছয় সন্ত্রাসীকে আটক করেছে র্যাপিড অ্যাকশান ব্যাটেলিয়ান র্যাব-৩।
বৃহস্পতিবার বিকেলে রাজউক ভবন থেকে তাদের আটক করা হয়।
র্যাবের মিডিয়া উইংয়ের সহকারী পরিচালক মাকসুদুল আলম শীর্ষ নিউজকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, পূর্বাচল সিটি প্রকল্পের ‘ইন্টার্নাল রোড অ্যান্ড সারফেস ড্রেন’ এর নির্মাণ কাজের জন্য টেন্ডার আহ্বান করা হয়। সাধারণ ঠিকাদাররা টেন্ডার জমা দিতে এলে আটক ছয় সন্ত্রাসী তাদের নানা ধরনের ভয় দেখায় এবং টেন্ডার জমা দিতে বাধা দেয়। এসব ঠিকাদারদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে রাজউক ভবন থেকে ছয় সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়।
পরবর্তীতে সংবাদ সম্মেলনে তাদের পরিচয় এবং এ সম্পর্কিত বিস্তারিত তথ্য জানানো হবে বলেন তিনি জানান।
লেখাপড়ার জন্যে ক্ষতিকর মোবাইল ফোন
উত্তরমুছুনলেখাপড়ার জন্যে ক্ষতিকর মোবাইল ফোনশীর্ষ নিউজ ডেস্ক : স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করার পর শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল ভালো হয়েছে বলে গবেষণায় দেখা গেছে।
গবেষকরা বলছেন, এর ফলে ছাত্রছাত্রীরা পড়াশোনার জন্যে বাড়তি সময় পেয়েছেন।
ইংল্যান্ডের চারটি শহরের স্কুলে জরিপ চালিয়ে লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক এই সমীক্ষাটি প্রকাশ করেছে।
ফোন নিষিদ্ধ করার আগে ও পরে অনুষ্ঠিত পরীক্ষার ফলাফল বিশ্লেষণ করে এই মন্তব্য করা হয়েছে।
এছাড়াও দেখা গেছে, যেসব স্কুলে মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করা হয়েছে, সেসব স্কুলের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ফল অন্যান্য স্কুলের তুলনায় ৬% ভালো।
গবেষকরা বলছেন, স্বল্প আয়ের পরিবারের ছেলেমেয়েদের উন্নতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি।
ব্রিটেনে ৯০ শতাংশেরও বেশি কিশোর কিশোরী মোবাইল ফোন ব্যবহার করে থাকে।
গবেষকরা বলছেন, নতুন নতুন স্মার্ট ফোনের অনেক সুবিধা থাকলেও এসব ফোন শিক্ষার্থীদের মনোযোগ নষ্ট করে। এতে পড়ালেখারও ক্ষতি হয়।
২০০৭ সালের এপ্রিল মাস থেকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের বৈধ অধিকার ছিলো শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে জিনিসপত্র জব্দ করা। তবে মোবাইল ফোনের ব্যাপারে সরকারি নীতিতে কিছু বলা ছিলো না।
একেকটি স্কুল এ বিষয়ে একেক ধরনের নীতি গ্রহণ করেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে নিউইয়র্কের মেয়র সম্প্রতি স্কুল প্রাঙ্গণে মোবাইল ফোন ব্যবহারের ওপর থেকে ১০ বছরের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ বলছে, এর ফলে অসাম্য কমে আসবে বলে তারা মনে করেন।
কিন্তু গবেষকরা এর সাথে একমত নন।
তারা বলছেন, মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ লেখাপড়ায় শিক্ষার্থীদের মনোযোগ বাড়াতে পারে।
- See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/05/18/80972#sthash.5SGDYkmI.dpuf
নারী শিক্ষার সাহসী কন্যা, বাংলার নারীদের শিক্ষার মুক্তি পথ দেখালেন বেগম সুফিয়া কামাল। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন চির জীবন। তার সাহসী পথ দেখে এ দেশের নারীরা এগিয়ে যাবে বহুদুর। এ সমাজে দেখা যায় নারীরা প্রতিবাদ করতে শিখেছে। এখন নারীরা প্রতিবাদ করতে ভয় পায় না। এই শিক্ষা অন্য কেউ নয়। আমাদেরই দেশের গর্বিতজন বেগম সুফিয়া কামাল।
উত্তরমুছুন---------------------(কামাল জামাল)- মোবাঃ 01711909733
নারী শিক্ষার জন্য বেগম রোকেয়া সাহসী পদক্ষেপের জন্য আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন পৃথিবী যতদিন থাকবে। তার শিক্ষায় আলোকিত বাংলাদেশের পাড়া গায় থেকে শুরু করে শহরের সর্বস্তর নারী আজ থেকে বহুদিন পূর্বে শিক্ষার আলোর মুখ দেখেছে। তিনি সাধারণ নারী নয়। এক কথায় বলতে গেলে বেগম রোকেয়া নারী সমাজের পথ চলার দিশারী । বেগম রোকেয়ার ব্যাপারে কামাল জামাল সঠিক কথাটি ব্যক্ত করেছেন। নারীরা আজ পিছিয়ে নেই। প্রতিটি কর্মক্ষেত্রে নারীরা সাহসী ভূমিকা পালন করছে। এ সমস্ত অবদান এক কথায় বলতে গেলে বেগম রোকেয়ার অবদান। আশা করি শাকিল কথাটি বুঝতে পেরেছ। তোমাকে ধন্যবাদ। মোঃ মিজানুর রহমান।
উত্তরমুছুনঢাকা : কিছু টেলিভিশন চ্যানেল অতি রঞ্জিত ও অপ্রাসংঙ্গিক খবর প্রচার করছে বলে দাবী করেছেন আলোচিত তরুণ সাংসদ গোলাম মাওলা রনি। শুক্রবার আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করার পর কিছু টেলিভিশন চ্যানেল মনোনয়ন পাননি গোলাম মাওলা রনি মর্মে সংবাদ প্রচার করে। এই প্রতিক্রিয়ায় সন্ধ্যায় ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন তরুন এই সাহসী সাংসদ। ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন-
উত্তরমুছুনকিছূ টেলিভিশন চ্যানেল খবর প্রচার করছে যে, গোলাম মাওলা রনিকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয়নি । কিন্ত বাস্তব ঘটনা হল আমি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পত্রই সংগ্রহ করিনি। আমার প্রশ্ন যেখানে চাওয়ার প্রশ্ন থাকে না, সেখানে দেবার বিষয় কিভাবে উত্থাপিত হয়?
জেল থেকে বের হবার পর আমি এবং আমার পরিবার সিদ্ধান্ত নেই যদি পারি স্বতন্ত্র নির্বাচন করবো। বাংলাদেশের দলকানা রাজনীতিতে স্বাধীনভাবে কথা বলতে গেলে পদে পদে অপমান লাঞ্চনা এবং বাধার সম্মুখিন হতে হয় বলেই আমি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি। যতদিন সার্মথ্য থাকবে ততদিন সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে কথা বলে যাব ইনসাআল্লাহ...
আর হ্যা, এক দলীয় বা কোনো পাতানো নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করে কোলাবরেটর হিসিবে কুখ্যাতি অর্জন করতে চাই না।
আশা করছি সবাইকে পাশে পাব সব সময়। সবার দোয়া কামনা করছি..
------------------ গোলাম মাওলা রনি।
মামুন তুই কই? আমি কালির বাজার আছি। তাড়াতাড়ি দোকানে আস।
উত্তরমুছুনমার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব: ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের পর থেকেই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা উদ্বেগজনক
উত্তরমুছুনমার্কিন কংগ্রেসে প্রস্তাব: ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের পর থেকেই বাংলাদেশের স্থিতিশীলতা উদ্বেগজনক শীর্ষ নিউজ ডেস্ক : 'বাংলাদেশ গোলযোগের মধ্যে রয়েছে। গত বছর ত্রুটিপূর্ণ নির্বাচনের পর থেকেই এ দেশের স্থিতিশীলতা নিয়ে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উদ্বেগ' এমন অভিযোগ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক হাউজ অব ফরেন অ্যাফেয়ার্স সাব কমিটির সদস্য, রিপাবলিকান দলের কংগ্রেসওমেন তুলসি গাব্বার্ড।
বুধবার কংগ্রেসে উত্থাপিত এক প্রস্তাবে তিনি ওই অভিযোগ করেন। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ সরকারের প্রতি মানবাধিকার রক্ষায় তৎপরতা বৃদ্ধি, গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে শক্তিশালী করা ও জঙ্গি উত্থান প্রতিরোধের আহ্বান জানিয়েছেন।
দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটে তুলসি গাব্বার্ড এ প্রস্তাব তোলার পর বক্তব্য রাখেন এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক সাব কমিটির চেয়ারম্যান রিপাবলিকান দলের কংগ্রেসম্যান ম্যাট স্যামন ও একই দলের কংগ্রেসম্যান বব ডোল্ড। বব ডোল্ট বলেন, কোন দেশ তার নাগরিকদের, বিশেষ করে সংখ্যালঘুদের মৌলিক স্বাধীনতা রক্ষায় ব্যর্থ হলে তা বরদাশত করা হবে না। বিশ্বের মানবিক মূল্যবোধের বৃহৎ শক্তি হিসেবে সেসব দেশের কাছে যুক্তরাষ্ট্র একসুরে এই বার্তা পাঠাতে বাধ্য। তুলসি গাব্বার্ড ওই প্রস্তাবে বাংলাদেশে ঝুঁকিতে থাকা সব সংখ্যালঘুদের মানবাধিকার রক্ষার আহ্বান জানিয়েছেন সরকারের প্রতি। তুলসি গাব্বার্ডের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রেস রিলিজ ও টুইটারে এ কথা বলা হয়েছে। এতে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্র কংগ্রেসে হিন্দু সম্প্রদায়ের একমাত্র সদস্য এই তুলসি গাব্বার্ড। তিনি কংগ্রেসে প্রস্তাব উত্থাপন করে বলেন, আমি বিশেষ করে ধর্মীয় স্বাধীনতা, বিশেষ করে হিন্দু, খ্রিষ্টান, বৌদ্ধ ও অন্যান্য সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার বিষয়ে উদ্বিগ্ন। সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাতনের দায়ে অভিযুক্তরা প্রায়ই থেকে যাচ্ছে শাস্তির বাইরে। এসব সংখ্যালঘুদের ওপর যারা সহিংসতা উসকে দিচ্ছে ও সংঘটিত করছে তাদেরকে থামাতে বাংলাদেশ সরকারকে ব্যবস্থা নিতে হবে। সংখ্যালঘুদের অধিকার রক্ষা করতে হবে। এই প্রস্তাবে সংখ্যালঘু সহ সব নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষার জন্য বাংলাদশে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হচ্ছে। গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, আইনের শাস শক্তিশালী করতে ও কট্টরপন্থি গ্র“পগুলোকে প্রতিহত করতে হবে সরকারকে। কংগ্রেসম্যান ম্যাট স্যামন বলেন, আমরা আশা করি মানবিক মূল্যবোধ, মুক্তমত ও ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রতি যে প্রতিশ্র“তি দিয়েছে তার প্রতি সম্মান দেখাবে বাংলাদেশ। সব নাগরিকের মানবাধিকার রক্ষা করতে হবে। এক্ষেত্রে কারও রাজনৈতিক অবস্থান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নয়।
সরকারি কৌঁসুলি পাচ্ছেন ডিসিরা
উত্তরমুছুনসরকারি কৌঁসুলি পাচ্ছেন ডিসিরা শীর্ষ নিউজ, ঢাকা : ভ্রাম্যমাণ আদালতের সাজার বিষয়ে আপিল নিষ্পত্তিতে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) আইনি সহায়তা দেওয়ার জন্য প্রত্যেক জেলায় একজন করে সহকারী সরকারি কৌঁসুলিকে (এপিপি) দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে গণমাধ্যমকর্মীদের জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
বৃহস্পতিবার ঢাকায় জেলা প্রশাসক সম্মেলনের শেষ দিনে আইন মন্ত্রণালয়-বিষয়ক আলোচনা শেষে আইনমন্ত্রী এ কথা জানান।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা ভ্রাম্যমাণ আদালতে যে সাজা দেন, সেটা আপিলে অনেক সময় টেকে না। এ জন্য ডিসিরা একজন স্থায়ী সরকারি কৌঁসুলি নিয়োগ দেওয়ার দাবি করে আসছিলেন। এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেন, ইতিমধ্যে এ বিষয়ে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রত্যেক জেলায় তাঁদের (ডিসি) সহায়তা দিতে একজন করে এপিপি দেওয়া হবে।
সম্মেলনে আইনমন্ত্রী মামলার জট কমাতে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর) পদ্ধতি সম্পর্কে মানুষকে উৎসাহিত করা এবং এ বিষয়টি প্রচারের জন্য তৎপর হতে ডিসিদের অনুরোধ জানান।
নৌ মন্ত্রণালয়-বিষয়ক আলোচনায় ডিসিদের নদীর দখল রোধে আরও ততপর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন নৌমন্ত্রী শাজাহান খান। আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান। তিনি বলেন, ‘ডিসিদের বলা হয়েছে, প্রত্যেকটি নদীর সীমানা চিহ্নিত করে দখল রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে।’
- See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/30/90431#sthash.0Kafzh3b.dpuf
সুপারকম্পিউটার প্রতি সেকেন্ড শত হাজার ট্রিলিয়নের বেশি হিসাব করতে সক্ষম এমন নতুন প্রজন্মের সুপারকম্পিউটার তৈরি করছে চীন। এই সুপারকম্পিউটারের নাম ‘ডাউনিং ৭০০০’। - See more at: http://www.sheershanewsbd.com/2015/07/15/88780#sthash.wuf5bsa9.dpuf
উত্তরমুছুন